১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক বাণীতে তিনি এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেন।
জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার বঞ্চিত জাতি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে, এই নির্বাচন তারই প্রাতিষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে মতামত দেবেন এবং সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য ও দায়বদ্ধ জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।
নতুন ভোটার ও তরুণদের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক তরুণ নাগরিক প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টা এই নির্বাচনকে প্রতিটি ভোটারের জন্য আনন্দময়, শঙ্কামুক্ত ও উৎসবমুখর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এটি দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা প্রভাব ছাড়াই ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।